কাগজ, প্লাস্টিক, ই-বর্জ্য ও জৈব বর্জ্য আলাদা করে সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাত এবং নতুন পণ্য তৈরির মাধ্যমে পরিবেশগত সুফলের পাশাপাশি কর্মসংস্থানও তৈরি হতে পারে।